ফররুখ গবেষণা ফাউন্ডেশন-এর সংঘ স্মারক

 

১। এই ফাউন্ডেশনের নাম হবে ‘ফররুখ গবেষণা ফাউন্ডেশন’। পরবর্তীতে অত্র বিধিতে উল্লিখিত ‘ফাউন্ডেশন’ বলতে
‘ফররুখ গবেষণা ফাউন্ডেশন’ বুঝতে হবে।

২। এই ফাউন্ডেশনের রেজিস্ট্রার্ড কার্যালয় ২৬/এ, আহম্মদ নগর, মিরপুর, ঢাকাতে অবস্থিত হবে। তবে পরিচালনা
বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে দেশের অন্যত্র স্থানান্তর কিংবা শাখা কার্যালয় স্থাপন করা যাবে ।

৩। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ
নিম্নের উদ্দেশ্যাবলী বাস্তবায়নের জন্য এই ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করা হলো। এটি হবে অরাজনৈতিক, অলাভজনক, বেসরকারী, স্বেচ্ছাসেবী এবং দাতব্য সংস্থা। সকল উদ্দেশ্যাবলী বাস্তবায়নের পূর্বে সরকারী কর্তৃপক্ষ/উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমতি গ্রহণ করতে হবে এবং ২০ ধারার পরিপন্থী উদ্দেশ্যাবলী বাতিল ও অকার্যকর বলে গণ্য হবে।
(ক) ইসলামী রেনেসাঁর কালজয়ী কবি ফররুখ আহ্মদ-এর জীবন, সাহিত্য ও তাঁর অনুসৃত আদর্শকে সর্বদা
সমুন্নত ও জাগ্রত রাখার জন্য ‘ফররুখ গবেষণা ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করা।
(খ) কবি ফররুখ আহমদ-এর প্রকাশিত-অপ্রকাশিত ও প্রাপ্ত রচনাবলী সংগ্রহ, সংরক্ষণ, মুদ্রণ এবং তাঁর উপর
গবেষণা পরিচালনা করা, বিভিন্ন ভাষায় তার অনুবাদ করা, ফররুখ-এর রচিত বিভিন্ন গবেষণামূলক রচনা সংবলিত পত্রিকা প্রকাশ; সভা-সেমিনার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদির আয়োজন করা।
(গ) জাতীয় আদর্শ, ঐতিহ্য ও মূল্যবোধের নিরিখে সৃজনশীল সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতির চর্চা, বিকাশ, মূল্যায়ন ও
উৎকর্ষ সাধনের চেষ্টা এবং মানবিক মূলবোধ ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা।

৪. কর্মসূচী ঃ
(ক) ফররুখ রচনাবলী অধ্যয়ন, গবেষণা ও মূল্যায়ন সম্পর্কিত কাজ-কর্ম, সংগঠন ও পরিচালনা, কবির জীবন ও
তাঁর দর্শন ব্যাপকভাবে আলোচনা ও প্রচারের উপায় উদ্ভাবন, কবির রচনাবলী সংগ্রহ, সংকলন, প্রকাশ ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা, বিভিন্ন ভাষায় তার অনুবাদ করা, কবির নিজের ও তার উপর লেখা অন্যদের রচনা সংগ্রহ, সংকলন, প্রকাশ এবং একটি পূর্ণাঙ্গ ও প্রামাণ্য ফররুখ জীবনী গ্রন্থ প্রণয়ন ও প্রকাশের ব্যবস্থা করা।
(খ) জাতীয় পর্যায়ে ফররুখ-এর চর্চা, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ফররুখ-এর রচনাবলী পাঠ্য- তালিকাভুক্তিকরণ এবং বিভিন্ন জাতীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ফররুখ রচনাবলীর যথার্থ ম্যূল্যায়নের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলকে উদ্ধুদ্ধ করা এবং দেশের সর্বত্র স্কুল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় ও গণ-পাঠাগারসমূহে ফররুখের রচনাবলী রাখার বন্দোবস্ত করা।
(গ) ফররুখ আহমদ-এর গান, গানের স্বরলিপি সংগ্রহ ও প্রকাশের ব্যবস্থা করা এবং ফররুখ সংগীত চর্চায়
উৎসাহ প্রদান করা। ফররুখ-এর কবিতার আবৃত্তি, গানের ক্যাসেট তৈরী ও তা প্রচারের ব্যবস্থা করা।
(ঘ) জাতীয় পর্যায়ে ফররুখ আহমদকে উপযুক্ত মর্যাদা দানের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন শিক্ষায়তন, গ্রন্থাগার, সামাজিক
ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, জনগরুত্বপূর্ণ সংস্থা, সংগঠন, স্থান ও সড়কের নাম এ মহান কবির নামে করার উদ্যোগ গ্রহণ করা।
(ঙ) ফররুখ আহমদ-এর উপর গবেষণা কর্মের জন্য বৃত্তি প্রদান, এক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের জন্য পুরস্কার,
উপাধি ও সনদপত্র প্রদান করা।
(চ) ফাউন্ডেশনের মুখপত্র হিসাবে নিয়মিতভাবে ‘ফররুখ একাডেমী পত্রিকা’ প্রকাশের ব্যবস্থা করা।
(ছ) যথাযথ মর্যাদার সাথে ফররুখ আহমদ-এর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী পালন ও এ উপলক্ষে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে
রচনা, সংগীত, আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কণ, সাধারণ জ্ঞান, কুইজ, বিতর্ক প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা।
(জ) বিভিন্ন ধরনের সভা-সেমিনার, আলোচনা, সম্মেলন, প্রদর্শনী, জলসা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন
করা।
(ঝ) বিভিন্ন ধরনের সভা-সেমিনার, আলোচনা, সম্মেলন, প্রদর্শনী, জলসা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন
করা।
(ঞ) ফাউন্ডেশনের নিজস্ব ভবন তৈরী করে সেখানে ফাউন্ডেশনের অফিস, গ্রন্থাগার, পাঠাগার, গবেষণা সেল
তৈরী করা এবং ফররুখ চর্চা, সভা-সেমিনার ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যানুষ্ঠানের জন্য হল নির্মাণ।
(ট) দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিগঠিত ফাউন্ডেশনের শাখাসমূহ যাতে সুষ্ঠুরূপে গড়ে উঠতে ও কার্যক্রম পরিচালনা
করতে পারে সে ব্যাপারে যথাসাধ্য পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান এবং সম্ভব হলে আর্থিক সাহায্য প্রদান।
(ঠ) ফররুখ আহমদ-এর নামে ও আর্দশে বিভিন্ন স্তরের শিক্ষায়তন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ এবং এ ব্যাপারে
উৎসাহী ব্যক্তি ও সংগঠনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান।

৫। প্রতিষ্ঠানের ধরণঃ
এ প্রতিষ্ঠান হবে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অলাভজনক, বেসরকারী এবং স্বেচ্ছামূলক, সাহিত্য-সাংস্কৃতিক ও গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠান। এর আয় ও সম্পদ-সম্পত্তি সবকিছু কেবল ফাউন্ডেশনের । উদ্যোক্তা বা পরিচালনা বোর্ডের সদস্যরা লভ্যাংশ, বেতন, ভাতা পকেটমানি হিসাবে কোন কিছু গ্রহণ করতে পারবে না।

৬। আয়ের উৎসঃ
পৃষ্ঠপোষক, উপদেষ্টা, বোর্ডের সদস্য ফাউন্ডেশনের জীবন সদস্য সাধারণ সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীদের চাঁদা, দান, অনুদান, উপহার, উপঢৌকন ও ফাউন্ডেশনের প্রকাশনা, সম্পত্তি ও বৈধ বিনিয়োগ থেকে উদ্ভূত আয় ও লাভ এবং বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের সাহায্য ইত্যাদি ফাউন্ডেশনের আয়ের উৎস বলে গণ্য হবে।

৭। অবসায়নঃ
পরিচালনা বোর্ডের তিন-পঞ্চামাংশ ভোটে ফাউন্ডেশনের অবসায়ন করা যেতে পারে। ফাউন্ডেশনের অবসায়ন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে, ফাউন্ডেশনের সকল স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি, নগদ অর্থ ফাউন্ডেশনের যাবতীয়, ঋণ, দায়-দেনা পরিশোধের পর যা উদ্বৃত্ত থাকবে তা অনুরূপ কোন সাহিত্য-সংস্কৃতি ও গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠানে ফাউন্ডেশনের পরিচালনা বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে হস্তান্তর করা হবে।

৮। একাডেমীর লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কর্মসূচী বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে নিম্নোক্ত প্রতিষ্ঠাতা-সদস্যদের নিয়ে পরিচালনা পরিষদ গঠিত হলোঃ

ক্রমিক নং নাম, ঠিকানা, পেশা ও জাতীয়তা পদবী
১ অধ্যাপক মুহম্মদ মতিউর রহমান
২৬/এ, আহম্মদ নগর, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬
পেশাঃ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী
ফোনঃ ৮৮৩৭৫৪০, মোবইল: ০১৮১৯৪২০৪৮৯ সভাপতি
২ কবি জাহানারা আরজু
লিভিং রওশন # বি-২, বড়ির # ৪৫ রোড # ১৫/এ ধানমন্ডি আ/এ, ঢাকা-১২০৫। পেশাঃ গৃহিনী, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী। ফোনঃ ৮১৫৪৭৫৫ সহ-সভাপতি
৩ মুহাম্মদ আব্দুল হান্নান
৩৯/৩, র‌্যাঙ্কিন স্ট্রীট, ওয়ারী, ঢাকা
পেশাঃ ব্যবসা, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোন ঃ ৯৫৫৭৮৬৯ নির্বাহী পরিচালক
৪ মাহবুবুল হক
অনন্যা, ফ্ল্যাট # ৮, বাড়ি # ১৫/এ, সড়ক # ৪, ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা, ঢাকা-১২০৫। পেশাঃ সাংবাদিকতা, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ০১৭১ ২৭২২২২৭ সদস্য
৫ মোহাম্মদ আবদুল মান্নান
৩৭, গ্রীন রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫।
পেশাঃ ব্যাংকার, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৯৫৫২৬১৬। সদস্য
৬ এ এইচ এম হামদুর রহমান আযাদ
৪৮/১, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০। পেশাঃ ব্যবসা, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ০১৮৯২৯৫৯৩৪। সদস্য
৭ প্রফেসর মুহাম্মদ মুজীবুল হক
৫৫/এ, নর্থ সার্কুলার রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫।
পেশাঃ শিক্ষাবিদ, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী। কোষাধ্যক্ষ
৮ কে এম আশরাফ উদ্দিন
৩৬, ফকিরাপুল, স্কুল লেইন, ঢাকা-১০০০।
পেশাঃ আইনজীবী, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৯৩৬১৮৩৭। সদস্য
৯ এ কে এম, বদরুদ্দোজা
২৩ সেগুন বাগিচা, প্রেজটিজ হোম ৫/এ, ঢাকা-১০০
পেশাঃ আইনজীবী, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৯৫৫২৪৩৪ (চেম্বার)৮৩৫৬৯০ (বাসা) সদস্য
১০ মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম
৭০৫, উত্তর কাফরুল, ঢাকা ক্যাণ্টনমেন্ট, ঢাকা-১২০৬।
পেশাঃ চাকুরী, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ০১৭১২৭৪২৬১০। সদস্য
১১ হাসান আলীম
স্ট্রীট নং # ৪, সেকশন # ৭, ব্লক নং # ১০, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬।
পেশাঃ চাকুরী, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৮০১০৭৪৭। সদস্য
১২ আবুল কালাম আজাদ
৫/২, গজনবী রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
পেশাঃ চাকুরী, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৮১১৬৬৩৭। সদস্য

আমরা নিম্নলিখিত ব্যক্তিবর্গ ১৮৬০ সালের সোসাইটিজ রেজিস্ট্র্রেশন আইনের অধীনে যাদের নাম, পিতার নাম, ঠিকানা, বয়স, পেশা ও জাতীয়তা নিম্নে বর্ণিত হলো তারা অত্র ‘ফররুখ গবেষণা ফাউন্ডেশন’ গঠনে সম্মত হয়ে এই সংঘ স্বারকে নিজ নিজ নামের পার্শ্বে দস্তখত করলাম:

ক্রমিক নং উদ্দ্যোক্তা সদস্যের নাম, পিতার নাম, ঠিকানা, বয়স, পেশা, ফোন ও জাতীয়তা সদস্যের স্বাক্ষর সাক্ষীগণের নাম ঠিকানা ও স্বাক্ষর
১ অধ্যাপক মুহম্মদ মতিউর রহমান
পিতাঃ মরহুম আবু মুহম্মদ গোলাম রব্বানী
২৬/এ, আহম্মদ নগর, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬
বয়সঃ ৬৪ বছর, পেশাঃ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী
ফোনঃ ৮৮৩৭৫৪০ মোবাইল: ০১৮১৯৪২০৪৮৯
২ মাহবুবুল হক
পিতাঃ এ,কে,এম শামসুল হক
অনন্যা, ফ্ল্যাট # ৮, বাড়ি # ১৫/এ, সড়ক # ৪, ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা, ঢাকা-১২০৫। বয়সঃ ৫৭ বছর, পেশাঃ সাংবাদিকতা, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ০১৭১২৭২২২২৭
৩ মুহাম্মদ আব্দুল হান্নান
পিতাঃ মরহুম আব্দুল জাব্বার
৩৯/৩, র‌্যানকিন স্ট্রীট, ওয়ারী, ঢাকা। বয়সঃ ৫৭ বছর, পেশাঃ ব্যবসায়, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৯৫৫৭৮৬৯
৪ এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ
পিতাঃ মাওলানা আব্দুস সালাম
৪৮/১, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০। বয়সঃ ৪০ বছর, পেশাঃ ব্যবসা, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ০১৮১৯২৯৫৯৩৪।

৫ কবি জাহানারা আরজু
স্বামীঃ বিচারপতি এ. কে. এম. নুরুল ইসলমা (সাবেক উপ-রাষ্ট্রপতি)
বাড়ি # ১৭/বি, ফ্ল্যাট# এ-১, সড়ক # ৩৫, গুলশান-২, ঢাকা-১২১২, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৮৮৩৫১৯০, মোবাইলঃ ০১৭৩১৫৮১৯৬৫
৬ প্রফেসর মুহাম্মদ মুজীবুল হক
পিতাঃ মরহুম হাজী দিল উয়ার আলী
৫৫/এ, সর্থ সার্কূলার রোড, প্রফেসর ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫।
বয়সঃ ৫৮ বছর, পেশাঃ শিক্ষাবিদ, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী।
৭ মোহাম্মদ আবদুল মান্নান
পিতাঃ মরহুম আব্দুল মালেক
৩৭, গ্রীন রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫, বয়সঃ ৫৩ বছর, পেশাঃ ব্যাংকার, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৯৫৫২৬১৬।
৮ কে এম আশরাফ উদ্দিন
পিতাঃ মরহুম কে এম জসিমউদ্দিন
৩৬, ফকিরাপুল, স্কুল লেইন, ঢাকা-১০০০। বয়সঃ ৫৩ বছর, পেশাঃ আইনজীবী, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৯৩৬১৮৩৭
৯ অধ্যাপক মোহম্মদ ফজলে আজিম
পিতাঃ ডাঃ আবুল খায়ের ভুঁইয়া
৫, শিল্প প্লট, তাজমহল রোড, মেহাম্মদপুর, ঢাকা। বয়সঃ ৫৯ বছর, পেশাঃ ব্যবসা, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৮৩১১৭০৮
১০ মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম
পিতাঃ মরহুম মাওলানা হাফিজ উদ্দিন
৭০৫, উত্তর কাফরুল, ঢাকা ক্যান্টমেন্ট, ঢাকা-১২০৬। বয়সঃ ৪৬ বছর, পেশাঃ ব্যবসা, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ০১৭১২৭৪২৬১০
১১ আবুল কালাম আজাদ
পিতাঃ মোহাম্মদ মুনছুর আলী মোল্লা
৫/২, গজনবী রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা। বয়সঃ ৩২ বছর, পেশাঃ চাকুরী, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৮১১৬৬৩৭
১২ হাসান আলীম
পিতাঃ আলহাজ্ব শাহ মোহাম্মদ ইস্রাফিল মিয়া, স্ট্রীট নং-৪, সেকশন নং-৭, ব্লক নং-১০, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬। বয়সঃ ৪৯ বছর, পেশাঃ চাকুরী, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৮০১০৭৪৭
১৩ ব্রি. জেঃ (অবঃ) মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন
পিতাঃ মরহুম আলহজ্ব তোফাজ্জল হোসেন
১৯২, ডি. ও. এইচ. এ. রোড ১১/বি, মহাখালী, ঢাকা-১২০৬। বয়সঃ ৬০ বছর, পেশাঃ অবসরপ্রাপ্ত সামরিক অফিসার, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ০১৭১৩০৩৫০০১
১৪ এ কে এম বদরুদ্দোজা
পিতাঃ মরহুম এম.এ. ওয়াদুদ
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, রুম নং-৮০২, বায়তুল হোসেন, ২৭, দিলকুশা বা/এ, ঢাকা-১০০০। বয়সঃ ৪৮ বছর, পেশাঃ আইনজীবী, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৯৫৫২৪৩৪ (চেম্বার) ৮৩৫৮৬৯০ (বাসা)
১৫ হাসান আব্দুল কাইয়ুম সেলিম
পিতাঃ মরহুম হাসান আব্দুল মোনায়েম ৪০০ নিউ স্কাটন রোড, ঢাকা। ৩/৩ বি, পরানা পল্টন, ঢাকা। বয়সঃ ৬০ বছর, পেশাঃ চাকুরী, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী,ফোনঃ ৮৩১৯৯৯৭
১৬ আবু সালেহ মোহাম্মদ ফারুক
পিতাঃ মোহাম্মদ আবু বকর
প্লট-৪৩, ডি আই টি ১নং মাকের্ট (২য় তলা) কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫। বয়সঃ ৩১ বছর, পেশাঃ ব্যবসা, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী। ফোনঃ ০১৮৯২১৬০৮১
১৭ শফিকুর রহমান রঞ্জু
পিতাঃ মোহাম্মদ আব্দুর রহিম
প্লট-৬৪, হোল্ডিং-৪৬০, ব্লক-সি, খিলগাঁও, ঢাকা-১২২৯। বয়সঃ ৪৭ বছর, পেশাঃ চাকুরী, জাতীয়তাঃ বালংদেশী, ফোন ঃ ৭২১২২৯৮।
১৮ এম. শামসুল হুদা, সি.এ
পিতাঃ মরহুম এ. বি. এ. আব্দুল আউয়াল
৬/১৫,ই ব্লক, লালমাটিয়া, ঢাকা।
বয়সঃ …. পেশাঃ চাটার্ড এশাউনট্যান্ট, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী।
১৯ মেসবাহ উদ্দীন আহমাদ
পিতাঃ জনাব শামসুদ্দীন আহমদ
৬৮/ই/৬ হাজী আফসারউদ্দিন রোড, পশ্চিম ধানমন্ডি, ঢাকা, বয়সঃ ৪৭ বছর, পেশাঃ চাকুরী, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৯৫৬০৩০২
২০ শাহ্ কুতুব উদ্দিন (এডভোকেট)
পিতাঃ মরহুম ডাঃ মোঃ আব্দুস সাত্তার পীর
রুম নং-৮০২, বায়তুল হোসেন, ২৭, দিলকুশা, বা/এ, ঢাকা। বয়সঃ ৩৭ বছর, পেশাঃ আইনজীবী, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী। ফোনঃ ৯৫৫২৪৩৪

তারিখ………………………………….

সোসাইটিজ রেজিস্ট্রেশন এ্যাক্ট ১৮৬০ মোতাবেক নিবন্ধিত।
ফররুখ গবেষণা ফাউন্ডেশন-এর গঠনতন্ত্র

১. সদস্য পদঃ
ফাউন্ডেশনের নিম্নবর্ণিত লক্ষ্য-উদ্দেশ্যে বিশ্বাসী ও এর কার্যক্রমে আগ্রহী যে কোন প্রাপ্তবয়স্ক নিম্নোক্ত শর্ত
সাপেক্ষে ফাউন্ডেশনের সদস্য হবার উপযুক্ত বলে বিবেচিত হবেনঃ
(ক) ফাউন্ডেশনের গঠনতন্ত্র, নিয়ম-নীতি-শৃঙ্খলা ও পরবর্তীতে প্রণীত যে কোন বিধি-উপবিধি মেনে চলতে
সম্মত থাকা।
(খ) নিয়মিত সদস্য-চাঁদা প্রদান; এবং
(গ) নির্ধারিত সদস্য পদের জন্য আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে এবং পরিচালনা বোর্ড কর্তৃক তা অনুমোদিত
হতে হবে।
২. সদস্যদের প্রকারভেদ ঃ
ফাউন্ডেশনের সদস্য হবেন তিন প্রকার; যথাঃ (ক) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য (খ) জীবন সদস্য (গ) সাধারণ সদস্য
৩. সদস্যপদের যোগ্যতাঃ
(ক) যে সকল ব্যক্তি অত্র ফাউন্ডেশন গঠনে উদ্যোগী ভূমিকা পালন করেছেন এবং পরিচালনা বোর্ডের সদস্য হয়েছেন তারা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যরূপে গণ্য হবেন এবং নূন্যপক্ষে এককালীন ১০০০/- (এক হাজার) টাকা মাত্র চাঁদা প্রদান করবেন।
(খ) জীবন সদস্য ১০০০/- (এক হাজার)
(গ) অত্র গঠনতন্ত্রের ৩ নং ধারায় বর্ণিত শর্ত পূরণকারী ব্যক্তিগণ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সদস্যরূপে গণ্য হবেন। সাধারণ সদস্যগণ ২৫/- (পচিঁশ) টাকা মাত্র ভর্তি ফি ও বার্ষিক মাথাপিছু ১০০/- (একশত) টাকা মাত্র চাঁদা প্রদান করবেন।
৪. পদচ্যূতিঃ
নিম্নবর্ণিত কারণে কারও সদস্য-পদ বাতিল বলে গণ্য হবেঃ
(ক) বছর শেষ হবার পূর্বেই কারও বার্ষিক চাঁদা পরিশোধ করা না হলে।
(খ) পরিচালনা বোর্ডের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের মতানুযায়ী কারও আচরণ অসঙ্গতিপূর্ণ বিবেচিত হলে অথবা কেউ ফাউন্ডেশনের নিয়ম-শৃঙ্খলা, বিধি-উপবিধি বিরোধী কোন কাজ করা অথবা ফাউন্ডেশনের স্বার্থ-বিরোধী কোন কাজে লিপ্ত হলে।
(গ) সদস্য-পদ থেকে কেউ ইস্তফা দিলে।
৫. পরিচালনাঃ
পরিচালনা বোর্ড ফাউন্ডেশনের সমস্ত কার্যক্রম পরিচালনা করবে। পরিচালনা বোর্ডের কোন সদস্য পদ শূন্য হলে
পরিচালনা বোর্ড তা পূরণ করবে।
৬. তহবিল গঠন ও সংরক্ষণঃ
(ক) পরিচালনা বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে যে কোন বাণিজ্যিক ব্যাংকে ফাউন্ডেশনের নামে হিসাব খোলা যাবে এবং
সভাপতি, নির্বাহী পরিচালক ও কোষাধ্যক্ষ যৌথভাবে হিসাব পরিচালনা করবেন, তবে তিনজনের যে কোন দু’জনের স্বাক্ষরে টাকা উত্তোলন করা যাবে।
(খ) ফাউন্ডেশনের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রতি বছর পরিচালনা বোর্ড কর্তৃক নিযুক্ত নিরীক্ষক দ্বারা নিরীক্ষা করাতে
হবে।
৭. পরিচালনা বোর্ডের সদস্যগণ নিজেদের মধ্য থেকে একজন সভাপতি, একজন সহ-সভাপতি একজন নির্বাহী
পরিচালক, একজন কোষাধ্যক্ষ মনোনীত করবেন।
৮. পরিচালনা বোর্ডের সভাঃ
(ক) পরিচালনা বোর্ড বছরে কমপক্ষে ছয়টি অথবা প্রয়োজন মুতাবিক বৈঠকে মিলিত হবে। সভাপতির সাথে পরামর্শক্রমে নির্বাহী পরিচালক বৈঠক ডাকবেন। তবে এজন্য কমপক্ষে সাত দিনের নোটিশ দিতে হবে। সভাপতির অনুপস্থিতিতে সহ-সভাপতি বোর্ডের সভায় সভাপতিত্ব করবেন। উভয়ের অনুপস্থিতিতে উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে যেকোন একজন সভাপতিত্ব করবেন।
(খ) দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম হবে। তবে মুলতবী বৈঠকের জন্য কোরামের প্রয়োজন নেই। বোর্ডের সকল সিদ্ধান্ত যথাসম্ভব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হবে। বৈঠকের কার্যবিবরণী নির্বাহী পরিচালক যথাযথরূপে সংরক্ষণ করবেন এবং অবশ্যই পরবর্তী বৈঠকে তা পঠিত, অনুমোদিত এবং সভাপতি কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে।
৯. পরিচালনা বোর্ডের ক্ষমতা ও দায়িত্বঃ
পরিচালনা বোর্ড সাধারণত নিম্নবর্ণিত সকল ক্ষমতার অধিকারী হবেঃ
(ক) ফাউন্ডেশনের পক্ষে যে কোন ব্যক্তি ও আইনানুগ প্রতিষ্ঠানের নিকট থেকে দান, অনুদান, চাঁদা, সাহায্য, উপঢৌকন গ্রহণ করতে পারবে। যে কোন বৈধ আয় বৃদ্ধি ও ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে তা ব্যয় করতে পারবে।
(খ) ফাউন্ডেশনের মালিকানাধীন স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ব্যবস্থাপনা টাকা-পয়সা লেনদেন ও ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য-কর্মসূচী বাস্তবায়নে খরচ করতে এবং যে কোন বৈধ পন্থায় সিকিউরিটি বা ব্যবসায়ে লগ্নীকরণের মাধ্যমে ফাউন্ডেশনের আয় বৃদ্ধির চেষ্টা করবে।
(গ) ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও কর্মসূচী বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন ও উপযোগিতা অনুযায়ী পরিচালনা বোর্ডের যে কোন সদস্য, জীবন সদস্য বা সাধারণ সদস্যের যে কাউকে দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে বা তাদের নিয়ে উপ-কমিটি গঠন করা যেতে পারে।
(ঘ) ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও কর্মসূচীর বাস্তবায়নে পরিচালনা বোর্ড প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মচারী নিয়োগ ও তাদের বেতন ভাতা ইত্যাদি নির্ধারণ, বাস্তবায়নের জন্য পরিচালনা বোর্ড পরিকল্পনা, বিভিন্ন প্রকল্প, বাজেট, কার্যবিবরণী ইত্যাদি প্রণয়ন করবে।
(ঙ) ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, গঠনতন্ত্রের কোন ধারা, উপ-ধারার ব্যাখ্যা করার দায়িত্ব থাকবে পরিচালনা বোর্ডের উপর।

১০. কর্মকর্তাদের ক্ষমতা ও দায়িত্বঃ
(ক) সভাপতি ফাউন্ডেশনের প্রধান হিসাবে সকল কার্যক্রম তদারক করবেন।
(খ) সভাপতির অনুপস্থিতিতে সহ-সভাপতি সভাপতির সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
(গ) ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে নির্বাহী পরিচালক ফাউন্ডেশনের সকল কর্মসূচী ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, বিভিন্ন বিভাগ ও উপ-কমিটির কাজের সমন্বয় সাধন করবেন। তাঁর দায়িত্ব পালনে তিনি বোর্ডের অন্যান্য সদস্যের সহযোগিতা নিতে পারবেন। বোর্ড সদস্য ও নিয়োজিত কর্মচারীদের মধ্যে দায়িত্ব বন্টন ও তাদের কাজের তদারকী করবেন।
(ঘ) পরিচালনা পরিষদের সদস্যগণ তাদের স্ব স্ব দায়িত্ব পালন করবেন। আন্ত-বিভাগীয় সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে তারা ফাউন্ডেশনের উন্নয়নে স্ব স্ব অবদান রাখবেন। প্রয়োজনে তারা সভাপতি ও নির্বাহী পরিচালকের পরামর্শ ও সহযোগিতা গ্রহণ করবেন।

১১. পৃষ্ঠপোষক পরিষদঃ
পরিচালনা বোর্ড ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও কর্মসূচী বাস্তবায়নে সহায়ক ফররুখ-অনুরাগী বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে একটি পৃষ্ঠপোষক পরিষদ গঠন করবে। প্রতি দু’বছর পর উপরোক্ত পরিষদ পুনর্গঠিত হবে।

১২. উপদেষ্টা পরিষদঃ
পরিচালনা বোর্ড ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও কর্মসূচী বাস্তবায়নে সহায়ক ফররুখ-অনুরাগী বিশিষ্ট সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিদের নিয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করবে। প্রতি দু’বছর পর উক্ত পরিষদ পুনর্গঠিত হবে।

১৩. বার্ষিক সাধারণ সভাঃ
(ক) পরিচালনা বোর্ড বছরে একবার সকল পৃষ্ঠপোষক, উপদেষ্টা, পরিচালনা বোর্ডের সদস্য, জীবন সদস্য ও
সকল সাধারণ সদস্যদের নিয়ে যৌথ বার্ষিক সভা আহ্বান করবে। উক্ত সভায় বার্ষিক কার্যবিবরণী ও আয়-ব্যয়ের হিসাব পেশ, বার্ষিক পরিকল্পনা ও ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আলোচনা, পরামর্শ গৃহীত হবে।
(খ) দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যর উপস্থিতিতে বার্ষিক সাধারণ সভার কোরাম হবে।
১৪. ঈসায়ী নববর্ষ থেকে ফাউন্ডেশনের বর্ষগণনা করা হবে।
১৫. পরিচলানা বোর্ডের সুপারিশ ক্রমে সাধারণ সভায় তিন-পঞ্চমাংশ সদস্যের সম্মতিক্রমে গঠনতন্ত্রের যে কোন প্রস্তাবনা ও বিধি, উপ-বিধি সংশোধন, পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করা যাবে।

আমরা নিম্নলিখিত ব্যক্তিবর্গ ১৮৬০ সালের সোসাইটিজ রেজিস্ট্রেশন আইনের অধীনে যাদের নাম, পিতার নাম, ঠিকানা, বয়স পেশা ও জাতীয়তা নিম্নে বর্ণিত হলো তারা অত্র ফাউন্ডেশন গঠনে সম্মত হয়ে এই গঠনতন্ত্রে নিজ নিজ নামের পার্শ্বে দস্তখত করলাম এবং এই গঠনতন্ত্র অবিকল বলে প্রত্যায়ন করলাম।
ক্রমিক নং উদ্যোগক্তা সদস্যের নাম, পিতার নাম, ঠিকানা, বয়স, পেশা, ফোন ও জাতীয়তা সদস্যের স্বাক্ষর স্বাক্ষীগণের নাম ঠিকানা ও স্বাক্ষর
১ অধ্যাপক মুহম্মদ মতিউর রহমান
পিতা:মরহুম আবু মুহম্মদ গোলাম রব্বানী
২৬/এ, আহম্মদ নগর, মিরপুর,ঢাকা-১২১৬, বয়সঃ ৬৪ বছর, পেশাঃ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোন ঃ ৮৮৩৭৫৪০
২ কবি জাহানারা আরজু
স্বামীঃ বিচারপতি এ. কে. এম. নুরুল ইসলমা (সাবেক উপ-রাষ্ট্রপতি)
বাড়ি # ১৭/বি, ফ্ল্যাট# এ-১, সড়ক # ৩৫, গুলশান-২, ঢাকা-১২১২, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৮৮৩৫১৯০, মোবাইলঃ ০১৭৩১৫৮১৯৬৫
৩ মাহবুবুল হক
পিতা:মরহুম এ কে এম শামসুল হক
অন্যন্যা, ফ্ল্যাট # ৮, বাড়ি # ১৫/এ, সড়ক # ৪, ধানমণ্ডি আবাসিক এলাকা, ঢাকা-১২০৫, বয়সঃ ৫৭ বছর, পেশাঃসাংবাদিকতা, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোন ঃ ০১৭১২৭২২২২৭
৪ মুহম্মদ আব্দুল হান্নান
পিতা:মরহুম আব্দুল জব্বার
৩৯/৩, র‌্যানকিন স্ট্রীট, ওয়ারী, ঢাকা, বয়সঃ ৫৭ বছর, পেশাঃব্যবসা,
জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোন ঃ ৯৫৫৭৮৬৯
৫ এএইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ
পিতা:মাওলানা আব্দুস সালাম
৪৮/১, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০, বয়সঃ ৪০বছর, পেশাঃব্যবসা
জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোন ঃ ০১৮১৯২৯৫৯৩৪
৬ প্রফেসর মুহাম্মদ মুজীবুল হক
পিতাঃ মরহুম হাজী দিল উয়ার আলী
৫৫/এ, নর্থ সাকুর্লার রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫, বয়সঃ ৫৮ বছর, পেশাঃ শিক্ষাবি, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৯৫৫২৬১৬।
৭ মোহাম্মদ আবদুল মান্নান
পিতাঃ মরহুম আব্দুল মালেক
৩৭, গ্রীন রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫, বয়সঃ ৫৩ বছর, পেশাঃ ব্যাংকার, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৯৫৫২৬১৬
৮ কে এম আশরাফ উদ্দিন
পিতাঃ মরহুম কে এম জসিম উদ্দিন
৩৬, ফকিরাপুল, স্কুল লেইন, ঢাকা-১০০০, বয়সঃ ৫৩ বছর, পেশাঃ আইনজীবী, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৯৩৬১৮৩৭
৯ অধ্যাপক মোহাম্মদ ফজলে আজিম
পিতাঃ ডাঃ আবুল খায়ের ভঁইয়া,
৫, শিল্প প্লট, তাজমহল রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা, বয়সঃ ৫৯ বছর, পেশাঃ ব্যবসা, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৮৩১১৭০৮।
১০ মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম
পিতাঃ মরহুম মাওলানা হাফিজ উদ্দিন
৭০৫, উত্তর কাফরুল, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা-১২০৬ বয়সঃ ৪৬ বছর, পেশাঃ চাকুরী, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ০১৭১২৭৪২৬১০
১১ আবুল কালাম আজাদ
পিতাঃ মোহাম্মদ মুনছুর আলী মোল্লা
৫/২, গজনী রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা, বয়সঃ ৩২ বছর, পেশাঃ চাকুরী, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৮১১৬৬৩৭।
১২ হাসান আলীম
পিতাঃ আলহাজ্ব শাহ মোহাম্মদ ইস্রাফিল মিয়া
স্ট্রীট নং # ৪, সেকশন# ৭, ব্লক # ১০, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬, বয়সঃ ৪৯ বছর, পেশাঃ চাকুরী, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৮০১০৭৪৭।
১৩ ব্রি. জেঃ (অবঃ) মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন
পিতাঃ মরহুম আলহাজ্ব তোফাজ্জল হোসেন
১৯২, ডি.ও.এইচ.এস. রোড ১১/বি, মহাখালী, ঢাকা-১২০৬, বয়সঃ ৬০ বছর, পেশাঃ অবসর প্রাপ্ত সামরিক অফিসার, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৯৮৮৬৮০২।
১৪ এ. কে. এম. বদরুদ্দোজা
পিতাঃ মরহুম এম. এ. ওয়াদুদ
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, রুম নং-৮০২, বায়তুল হোসেন, ২৭, দিলকুশা বা/এ, ঢাকা-১০০০, বয়সঃ ৪৮ বছর, পেশাঃ আইনজীবী, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৯৫৫২৪৩৪ (চেম্বার) ৮৩৫৮৬৯০ (বাসা)।
১৫ হাসান আব্দুল কাইয়ুম সেলিম
পিতাঃ মরহুম হাসান আব্দুল মোনায়েম
৪০০ নিউ ইস্কাটন রোড, ঢাকা, ৩/বি, পুরানো পল্টন, ঢাকা। বয়সঃ ৬০বছর, পেশাঃ ব্যবসা, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৯৩১৯৯৯৭।
১৬ আবু সালেহ মোহাম্মদ ফারুক
পিতাঃ মোহাম্মদ আবু বকর
প্লট-৬৪,ডি আই টি ১নং মার্কেট (২য় তলা) কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বয়সঃ ৩১ বছর, পেশাঃ ব্যবসা, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ১৮১৯২১৬০৮১।
১৭ শফিকুর রহমান রঞ্জু
পিতাঃ মোহাম্মদ আব্দুর রহিম
প্লট-৬৪, হোল্ডিং-৪৬০, ব্লক-সি, খিলগাঁও, ঢাকা-১২১৯, বয়সঃ ৪৭ বছর, পেশাঃ চাকুরী, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৭২১২২৯৮।
১৮ এম. শামসুল হুদা, সি. এ
পিতাঃ মরহুম এ. বি. এ. আব্দুল আউয়াল
৬/১৫, ই ব্লক, লালমাটিয়া, ঢাকা, বয়সঃ — বছর, পেশাঃ চাটার্ড একাউন্ট্যান্ট, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ —
১৯ মেসবাহ উদ্দীন আহমদ
পিতাঃ জনাব শামসুদ্দীন আহমদ
৬৮/ই/৬ হাজী আফসারউদ্দিন রোড, পশ্চিম ধানমন্ডি, ঢাকা, বয়সঃ ৪৭ বছর, পেশা-চাকুরী, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৯৫৬০৩০২।
২০ শাহ্ কুতুব উদ্দিন (এডভোকেট)
পিতাঃ মরহুম ডাঃ মোঃ আব্দুস সাত্তার পীর
রুম নং-৮০২, বায়তুল হোসেন, ২৭, দিলকুশা, বা/এ, ঢাকা।
বয়সঃ ৩৭ বছর, পেশাঃ আইনজীবী, জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী, ফোনঃ ৯৫৫২৪৩৪।

ফররুখ গবেষণা ফাউন্ডেশন
এর গঠনতন্ত্র,
রেজি নং এস ৫৪৩৫ (৪৪৯)/২০০৬ নং-১
সংঘ স্মারক ও সংঘ বিধি
রেজি: তারিখ ১৯-২-২০০৬

স্বাক্ষর
রেজিস্টার, অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানীস,
অবিকল নকল বলিয়া প্রত্যয়ন করা হইল।
স্বাক্ষর
(আব্দুল মান্নান),
তারিখ: ২০/০২/২০০৬
ডেপুটি রেজিস্টার (চলতি দায়িত্ব)
জয়েন্ট স্টক কোম্পানীস এন্ড ফার্মস্, বাণিজ্য মন্ত্রনালয়।

(সীল)

বরাবর, মাননীয় মেয়র
ঢাকা সিটি করপোরেশন, ঢাকা
বিষয়ঃ বিশিষ্ট কবি ও ভাষা-সৈনিক ফররুখ আহমদের নামে শহরের একটি সড়কের নামকরণের আবেদন।
জনাব
বিনীত নিবেদন এই যে, ঐতিহাসিক ঢাকা মহানগরী বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম জনবহুল এবং সমস্যা-সংকুল শহর। আপনার সময়কালে এ ঐতিহ্যবাহী মহানগরীর অনেক সমস্যারই সমাধান হয়েছে বা হবার পথে। এ প্রসঙ্গে আপনার দু’টি স্মরণীয় কৃতিত্বের বিষয় নগরবাসী কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করে। এর একটি শহরের সৌন্দর্যবর্ধন, অন্যটি ভাষা-সৈনিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে এ প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী মহানগরীর বিভিন্ন রাস্তার নামকরণ। এর ফলে রাজধানী ঢাকায় বসবাসকারী এবং শহরে আগত দেশী-বিদেশী পর্যটকগণ আমাদের ইতিহাসের উজ্জ্বল দিক এবং এর কৃতি-সন্তানদের সম্পর্কে যেমন জানার সুযোগ পাচ্ছেন, তেমনি ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্যও তা অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
এ প্রসঙ্গে আপনার সদয় বিবেচনার জন্য আমরা নিম্ন স্বাক্ষরকারী নাগরিকগণ বাংলা সাহিত্যের অবিস্মরণীয় কবি ও ভাষা-সৈনিক ফররুখ আহমদের নামে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার নামকরণের সনির্বন্ধ অনুরোধ করছি। কবি ফররুখ আহমদ একজন অনন্য মৌলিক প্রতিভাধর কবি এবং প্রথম সারির ভাষা- সৈনিক। ভাষা আন্দোলনের শুরু থেকেই তিনি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার জন্য যুক্তিপূর্ণ জোরালো প্রবন্ধ-নিবন্ধ এবং বহু সংখ্যক কবিতা লিখে ভাষা আন্দোলনে প্রেরণা সৃষ্টি করেছেন।
কবি ফররুখ আহমদ (জন্ম ১০ জন ১৯১৮-মৃত্যু ১৯ অক্টোবর ১৯৭৪) যশোর জেলার মাগুরা মহকুমার (বর্তমানে জেলা) মাঝআইল গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত ‘সৈয়দ’ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্র-জীবনে তিনি খুলনা ও কলকাতার বিভিন্ন স্কুল-কলেজে লেখাপড়া করেন। চাকুরী জীবনের শুরু কলকাতায় হলেও দেশ-বিভাগের পর ১৯৪৮ সনে তিনি ঢাকায় এসে ঢাকা বেতার কেন্দ্রে চাকুরি শুরু করে জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি সেখানে কর্মরত থেকে ইস্কাটন গার্ডেনের সরকারী বাসভবনে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
ফররুখ আহমদ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মৌলিক প্রতিভাধর কবি। একাধারে গীতি কবিতা, মহাকাব্য, সনেট, ব্যঙ্গ কবিতা, শিশুতোষ কাব্য, কাব্যনাট্য, গান ইত্যাদি বিভিন্ন কাব্যাঙ্গিকে কবিতা লেখা ছাড়াও গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ ইত্যাদি সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় তিনি অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। তিনি ‘ইসলামি রেনেসাঁর কবি’, ‘মুসলিম নবজাগরণের কবি’, ‘মানবতার কবি’ হিসাবে পরিচিত। সর্বোপরি তিনি একজন স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন অসাধারণ শক্তিমান আধুনিক কবি। তাঁর কাব্য-কৌশল ও বৈশিষ্ট্যপূর্ণ নৈপুণ্য সকলের অকুণ্ঠ প্রশংসা অর্জন করেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত বাংলা সাহিত্যের এ কালজয়ী কবি সারা জীবন দারিদ্র্যের সাথে সংগ্রাম করে শেষ জীবনে প্রায় বিনা চিকিৎসায়, অনাহার-অর্ধাহারে করুণ মৃত্যুবরণ করেন। অথচ তাঁর মতো কবি-খ্যাতি নিয়ে তিনি ইচ্ছা করলেই বিপুল বিত্ত-বৈভবের অধিকারী হতে পারতেন।
ইসলামি আদর্শে নিষ্ঠাবান, নির্লোভ ও আত্মমর্যাদবোধসম্পন্ন কবি দারিদ্র্যের সাথে নিরন্তর সংগ্রাম করা সত্ত্বেও জীবনে কোনো ব্যাপারে কারো মুখাপেক্ষী হননি। চরম দারিদ্র্যের মধ্যেও তিনি বিভিন্ন সময় দেশ-বিদেশ সফরের প্রস্তাবসহ সরকারের অনেক লোভনীয় প্রস্তাব নির্দ্বিধায় প্রতাখ্যান করেছেন। একনায়ক আইয়ুব খানের ডাক-সাঁইটে উচ্চ পদস্থ আমলা আলতাফ গওহর, কুদরতুল্লাহ শাহাবের মতো ব্যক্তিরাও বিভিন্ন প্রস্তাব নিয়ে তাঁর ক্ষুদ্র-পরিসর টিনের ঘরে গিয়েছেন। কিন্তু অবলীলায় তিনি তাদের সকল প্রস্তাব ঘৃণাভরে প্রতাখ্যান করেছেন। চরম আত্মমর্যাদাবোধসম্পন্ন নিরাপোস কবি দারিদ্র্যের সাথে নিরন্তর সংগ্রাম করে মৃত্যুবরণ করেছেন, কিন্তু কারও কাছে কখনও মাথা নত করেননি।
যে মহান কবি জীবিতাবস্থায় সমাজের কাছে কখনও কিছু প্রত্যাশা করেননি, মৃত্যুর পরে তাঁর কোনো প্রত্যাশা থাকার কথা নয়। কিন্তু যে কবি এ অধঃপতিত জাতিকে দু’হাতে কেবল দিয়ে গেছেন, আমাদের ভাষা ও সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন, আমাদের স্বাধীনতা ও ভাষা আন্দোলনে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন এবং জাতিকে নানাভাবে উজ্জীবিত ও অনুপ্রাণিত করে গেছেন, সে মহান কালজয়ী অমর কবির প্রতি জাতির অবশ্যই একটি দায়িত্ব রয়েছে। সে দায়িত্ববোধ থেকে তাঁর সমগ্র রচনাবলি সংরক্ষণ ও পুনঃমুদ্রণ, শিক্ষার সর্বস্তরে তাঁর রচনাবলি পাঠ্য-তালিকাভুক্তিকরণ, তাঁর সাহিত্যের যথাযথ মূল্যায়ন ও তা থেকে অনুপ্রেরণা গ্রহণ এবং কবির গ্রামের বসতবাটি সংরক্ষণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা আজ সময়ের অপরিহার্য দাবি।
সে কারণে আমরা কবি ফররুখ আহমদের নামে তাঁর শেষ জীবনের বাসস্থান ঢাকা শহরের ইস্কাটন গার্ডেন এলাকাকে ‘কবি ফররুখ আহমদ স্কয়ার’ বা ‘কবি ফররুখ আহমদ সরণি’ নামকরণের আবেদন জানাচ্ছি।
আশা করি, সহানুভূতির সাথে বিবেচনাপূর্বক উক্ত প্রস্তাব অনুযায়ী যথাযথ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে আপনি ত্বরিৎ আদেশ প্রদান করে ঢাকা মহানগরীর যোগ্য ও সংবেদনশীল মেয়র হিসাবে সকল নগরবাসীর কৃতজ্ঞতা ভাজন হবেন।

নিবেদক
বরাবর,
মাননীয় সম্পাদক
দৈনিক নয়া দিগন্ত, ঢাকা।
জনাব,
বিনীত নিবেদন এই যে, আপনার সম্পাদিত দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকায় গত ১৮-১০-২০১১ তারিখে ‘কবি ফররুখ আহমদ’ শীর্ষক একটি সম্পাদকীয় নিবন্ধে কিছু ভুল তথ্য থাকায় অত্র সংশোধনীটি প্রেরণ করা হলো। আশা করি এটি যথারীতি মুদ্রণ করে বাধিত করবেন।

সংশোধনী
কবি ফররুখ আহমদ

জনপ্রিয় ‘দৈনিক নয়া দিগন্ত’ পত্রিকার ১৮ অক্টোবর তারিখে সম্পাদকীয় পাতায় (স্মরণ) প্রকাশিত ‘কবি ফররুখ আহমদ’ শীর্ষক নিবন্ধের জন্য লেখক মোঃ আবদুল জলিলকে (শিক্ষক, ইংরেজি বিভাগ, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়) আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। তাঁর লেখাটি পড়ে পাঠক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি ফররুখ আহমদ সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারবেন। সঙ্গে সঙ্গে বিনয়ের সাথে একথা উল্লেখ করা প্রয়োজন মনে করছি যে, এতে কিছু কিছু ভূল তথ্য পরিবেশিত হয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট সকলকে বিভ্রান্ত করতে পারে। আমি মনে করি, এসব ভুল তথ্য হয়ত লেখকের সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত। তিনি আর একটু সতর্ক হলে হয়ত এসব ত্র“টি থেকে মুক্ত হতে পারতেন। আশা করি ভবিষ্যতে তিনি ফররুখ আহমদ সম্পর্কে অধিক পড়াশোনা করে আরো অনেক মূলবান নিবন্ধ-প্রবন্ধ-গ্রন্থাদি রচনায় সচেষ্ট হবেন।
এবার নিবন্ধের ভুল তথ্যগুলো সম্পর্কে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করবো। (১) “ফররুখ আহমদ ১৯৪২ সালে চাচাতো বোন সৈয়দা তাইয়েবা খাতুনকে বিবাহ করেন।” প্রকৃতপক্ষে, ‘চাচাতো বোনে’র পরিবর্তে হবে ‘খালাতু বোন’। (২) উল্লেখ করা হয়েছে- “স্বাধীনতার পরপরই তিনি রেডিও পাকিস্তান ঢাকায় যোগদান করেন।” প্রকৃতপক্ষে, ১৯৪৭ সনের ১৪ আগস্ট সাবেক পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হবার প্রায় সোয়া এক বছর পর ১৯৪৮ সনের শেষ দিকে তিনি ঢাকা বেতারে যোগদান করেন। (৩) লেখক ফররুখ আহমদ রচিত যে গ্রন্থ-তালিকা প্রদান করেছেন, তা অসম্পূর্ণ ও কিছু কিছু গ্রন্থের নামে বিকৃতি লক্ষ্য করা যায়। সকলের জ্ঞাতার্থে তাঁর রচিত গ্রন্থাবলীর একটি সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তালিকা নিচে প্রদান করা হলোঃ ১.সাত সাগরের মাঝি (১৯৪৪), ২.আজাদ করো পাকিস্তান (১৯৪৬), ৩. সিরাজাম মুনীরা (১৯৫২), ৪. নৌফেল ও হাতেম (১৯৬১), ৫. মুহূর্তের কবিতা (১৯৬৩), ৬. ধোলাই কাব্য, ফারুক মাহমুদ সম্পাদিত (১৯৬৩), ৭. হাতেম তা’য়ী (১৯৬৬), ৮. পাখির বাসা (১৯৬৫), ৯. হফরের ছড়া (১৯৬৮), ১০. নতুন লেখা (১৯৬৯), ১১. ছড়ার আসর-১ (১৯৭০), ১২. নয়া জামাত, প্রথম ভাগ (১৯৫০), ১৩. নয়া জামাত, দ্বিতীয় ভাগ(১৯৫০), ১৪. নয়া জামাত, তৃতীয় ভাগ(১৯৫০), ১৫. নয়া জামাত, চর্তুথ ভাগ (১৯৫০), ১৬. ফররুখ আহমদের শ্রেষ্ঠ কবিতা, সৈয়দ আবদুল মান্নান সম্পাদিত (১৯৭৫), ১৭. হে বন্য স্বপ্নেরা (১৯৭৬) সম্পাদক ঃ জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী, ১৮. ফররুখ রচনাবলী, প্রথম খণ্ড (১৯৭৯) সম্পাদক ঃ মোহাম্মদ মাহ্ফুজউল্লাহ্ ও আব্দুল মান্নান সৈয়দ, ১৯. ইকবালের নির্বাচিত কবিতা (১৯৮০), ২০. চিড়িয়াখানা (১৯৮০), ২১. কাফেলা (১৯৮০), ২২. হাবেদা মরুর কাহিনী (১৯৮১), ২২. সিন্দাবাদ (১৯৮৩) সম্পাদক ঃ আখতার-উল-আলম, ২৩. ফুলের জলসা (১৯৮৫), ২৪. তসবিরনামা (১৯৮৬), ২৫. কিস্সা কাহিনী (১৯৮৪), ২৬. মহফিল, প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড(১৯৮৭), ২৭. ফররুখ আহমদের গল্প (১৯৯০) সম্পাদক ঃ আব্দুল মান্নান সৈয়দ, ২৮. নির্বাচিত কবিতা (১৯৯৫) সম্পাদক ঃ ঐ, ২৯. ঐতিহাসিক-অনৈতিহাসিক কাব্য (১৯৯১), ৩০. দিলরুবা (১৯৯৪), ৩১. ফররুখ আহমদ রচনাবলী, প্রথম খণ্ড (১৯৯৫) আব্দুল মান্নান সৈয়দ সম্পাদিত,৩২. ফররুখ আহমদ রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড(১৯৯৬) সম্পাদনা ঃ ঐ।
এছাড়া, ফররুখ আহমদ রচিত আরো যেসব পাণ্ডুলিপির পরিচয় পাওয়া যায়, তার একটি তালিকা নিন্মরূপ :
১। অনুস্বর (ব্যঙ্গ কবিতা) রচনাকাল ঃ ১৯৪৪-৪৬, ২। বিসর্গ (ব্যঙ্গ কবিতা) রচনাকাল ঃ ১৯৪৬-৪৮, ৩। হাল্কা লেখা, ৪। তস্বিরনামা, ৫। রসরঙ্গ, ৬। রক্ত গোলাব (গানের সংকলন), ৭। কাব্যগীতি, ৮। রাজ-রাজরা (গদ্য ব্যঙ্গ নাটিকা), ৯। ছড়ার আসর (২), ১০। ছড়ার আসর (৩), ১১। সাঁঝ সকালের কিস্সা, ১২। আলোকলতা, ১৩। খুশির ছড়া, ১৪। মজার ছড়া, ১৫। পাখির ছড়া, ১৬। রং মশাল, ১৭। জোড় হরফের ছড়া, ১৮। পড়ার শুরু, ১৯। পোকামাকড়, ২০। কুরআন মঞ্জুষা, ২১। আমপারা (কুরআন শরিফের ২৯টি সূরার অনুবাদ), ২২। সিকান্দার শা’র ঘোড়া (একটি অসম্পূর্ণ উপন্যাস), ‘মৃত্তিকা’ পত্রিকার আষাঢ়-শ্রাবণ, ১৩৫৩ সংখ্যায় ‘এ কোন দেশ’ ও ‘সীমানা’ Ñ এ শিরোনামে উক্ত উপন্যাসের আংশিক প্রকাশিত হয়েছিল।
অবশেষে দুঃখের সাথে বলতে হয়, বাংলা সাহিত্যের মৌলিক প্রতিভাধর অন্যতম প্রধান কবি ফররুখ আহমদের গ্রন্থাবলি বর্তমানে দু®প্রাপ্য এবং এগুলো প্রকাশের জন্য বাংলা একাডেমীসহ কোন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান উদ্যোগ গ্রহণ করছে বলেও জানা যায় না। তাই কবি সম্পর্কে জানাশোনার সুযোগও সীমাবদ্ধ। কিন্তু, তা সত্ত্বেও যেসব সুযোগ ও মাধ্যম রয়েছে সে সম্পর্কেও সকলে অবহিত নন। তাই তাদের সদয় অবগতির জন্য অনুরোধ করছি যে, তারা নিন্মোক্ত বিন ংরঃব ব্যবহার করতে পারেন-িি.িভধৎৎঁশযভড়ঁহফধঃরড়হ.হবঃ.ড়ৎম.
এছাড়া, কবি ফররুখ আহমদ সম্পর্কে জানার জন্য ফররুখ গবেষণা ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রকাশিত এবং মুহম্মদ মতিউর রহমান সম্পাদিত ‘ফররুখ একাডেমী পত্রিকা’ (১ম থেকে ২১তম সংখ্যা) এবং নিন্মোক্ত কয়েকটি মূল্যবান গ্রন্থের সাহায্য নিতে পারেনঃ ১. ডক্টর সুনীলকুমার মুখোপাধ্যায় ঃ কবি ফররুখ আহমদ (১৯৬৯), ২. মোহাম্মদ মাহ্ফুজউল্লাহ্ ও আবদুল মান্নান সম্পাদিত ঃ ফররুখ-রচনাবলী (১৯৭৯), ৩. শাহাবুদ্দিন আহমদ সম্পাদিত ফররুখ আহমদঃ ব্যক্তি ও কবি (১৯৮৪) ৪. আবদুল মান্নান সৈয়দঃ ফররুখ আহমদ জীবন ও সাহিত্য (১৯৯৩), মোহাম্মদ মাহ্ফুজউল্লাহ্ ঃ বাংলা কাব্যে ফররুখ আহমদ তাঁর শক্তি ও স্বাতন্ত্র্যের স্বরূপ (২০০৩), ৫. মুহম্মদ মতিউর রহমান ঃ ফররুখ প্রতিভা (২০০৮) প্রভৃতি। এছাড়াও ফররুখ আহমদ সম্পর্কে রচিত গ্রন্থাবলির পূর্ণাঙ্গ তালিকার জন্য মুহম্মদ মতিউর রহমান রচিত ‘ফররুখ প্রতিভা’ গ্রন্থের পরিশিষ্ট, পৃষ্ঠা ৩৮৪-৪০৬ দ্রষ্টব্য।