(বাম থেকে) ফাউন্ডেশনের নির্বাহি পরিচালক মুহাম¥দ আবদুল হান্নান, সহ-সভাপতি মাহবুবুল হক, সভাপতি অধ্যাপক মুহম্মদ মতিউর রহমান, প্রধান অতিথি ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ, শাহ আবদুল হালিম । পুরস্কার গ্রহণ করছেন কবি-পুত্র আহমদ আখতার ।

 

অমর কবি ফররুখ আহমদের জন্মশতবর্ষ ঊদযাপিত

ফররুখ গবেষণা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অমর কবি ফররুখ আহমদের জন্মশতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে গত ১০ জুন রবিবার নজরুল একাডেমিতে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় । ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক মুহম্মদ মতিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব রোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট লেখক ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ । অনুষ্ঠানে ফররুখ আহমদ গবেষণা ফাউন্ডেশন পুরস্কার-২০১৮ প্রদান করা হয় কবি-পতœী মরহুমা সৈয়দা তৈয়বা খাতুন লিলিকে ( মরণোত্তর) । মরহুমার পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন কবি-পুত্র কবি আহমদ আকতার । পুরস্কারের নগদ ১০,০০০ টাকার সঙ্গে সনদপত্র, ক্রেষ্ট ও ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত কিছু গ্রন্থ ও পত্রিকা উপহার প্রদান করা হয় । দ্বিতীয় পর্যায়ে কবির জন্মশতবর্ষ ঊপলক্ষ্যে ফাউন্ডেশন প্রকাশিত কয়েকটি গ্রন্থ ও পত্রিকার মোড়ক উন্মোচন করা হয় ।
প্রধান অতিথি তার বক্তৃতায় বলেন, ফররুখ আহম্দ ছিলেন মানরকতার কবি । তিনি ছিলেন একজন আদর্শনিষ্ঠ, ্ঐতিহ্যবাদি, স¦দেশপ্রেমিক কবি । তার লেখায় অধঃপতিত জাতি নবজাগরণের প্রেরণা লাভ করে । তার জন্মের শতবর্ষ পরেও তিনি এখনও সমান জনপ্রিয় ।
সভাপতি তার বক্তৃতায় বিগত বিশ বছর ধরে ফররুখ চর্চার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন । প্রতি বছর কবির জন্ম ও মৃত্যু দিবস পালন ছাড়াও বছরে ফররুখ একাডেমি পত্রিকার দুটি করে সংখ্যা প্রকাশ ও কতিপয় মুল্যবান গ্রন্থ প্রকাশ করে । অনুষ্ঠানে আরো বক্তৃতা করেন ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি মাহবুবুল হক, নির্বাহি পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল হান্নান, কবি আহমদ আখতার, মোহাম¥দ আশরাফুল ইসলাম, শাহ আবদুল হালিম, অধ্যাপক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, কবি লিলি হক প্রমুখ । অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কবি মানসুর মোজাম্মেল । অনুষ্ঠানে সর্বসম্মতিক্রমে নি¤েœাক্ত প্র¯তাবসমূহ গৃহীত হয় ।
প্রস্তাবনাঃ
১. বাঙালি মুসলিম নবজাগরণের অন্যতম পথিকৃত, আমাদের জাতিসত্তার অন্যতম রূপকার, ভাষা আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব, মানবতা ও ঐতিহ্যের ধারক কবি ফররুখ আহমদের জন্ম ১৯১৮ সালের ১০ জুন, ১৯৭৪ সালের ১৯ অক্টোবর তিনি ঢাকায় ইন্তিকাল করেন। শতবর্ষ পূর্বে এদিনে এ মহান কবির জন্ম। তাঁর বৈচিত্র্যপূর্ণ মূল্যবান অবদানে বাংলা সাহিত্য নানাভাবে সমৃদ্ধশালী হয়েছে। তাঁর সাহিত্য অধঃপতিত জাতিকে নবজাগরণের প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ-অনুপ্রাণিত করে। জন্মের শতবর্ষ পরে এখনো ফররুখ কাব্য পাঠক-চিত্তকে আবেগ-মথিত ও উদ্বেল করে তোলে। তাঁর কাব্যের নান্দনিক বৈশিষ্ট্য ও মানবিক আবেদন চির শাশ্বত, জীবন্ত ও অনিঃশেষ। তাই এ মহান কবির জন্মশতবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায়